আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ক্রাইম ক্রনিকল
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬০ জনে পৌঁছেছে। নেপালি পুলিশ বুধবার রাত পর্যন্ত দেশটিতে ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বত অঞ্চলেও প্রাণহানির খবর রয়েছে।
ভয়াবহ এই বন্যায় শত শত মানুষ এখনও নিখোঁজ। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
বুধবার নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যার তোড়ে নদীতীরবর্তী কয়েকটি বসতি, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্গম ও পার্বত্য এলাকার অনেক স্থানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার তৎপরতাও কঠিন হয়ে উঠেছে।
নেপালি পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নেপালে অন্তত ৯৫ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল। পরে উদ্ধার অভিযান এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেপালেই ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। সীমান্তের অপর পাশে তিব্বতে প্রাণহানিসহ মোট মৃত্যু অন্তত ১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।
দুর্যোগের সঠিক কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা, হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের বড় অংশ ধসে নদীর প্রবাহে আকস্মিক পরিবর্তন ঘটায় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে।