আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ক্রাইম ক্রনিকল
জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। দেশটির ভাষ্য অনুযায়ী, চলমান ‘অপারেশন থান্ডার’-এর ২২তম ধাপে বুধবার (২২ জুলাই) ভোরে এ হামলা চালানো হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ও মেহর নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, জর্ডানের আজরাক অঞ্চলে অবস্থিত মুওয়াফফাক সালতি (আল-আজরাক) বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর আবাসন, কল্যাণমূলক স্থাপনা এবং সরঞ্জাম সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
একই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও ‘আরাশ’ ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে সামরিক সরঞ্জামের গুদাম, বড় আকারের সংরক্ষণাগার এবং ভারী সামরিক উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ শেল্টার লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে জানানো হয়।
ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘অপারেশন থান্ডার’-এর সর্বশেষ ধাপ দক্ষিণ ইরানের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনগণের সমর্থন এবং ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ও নিহত সামরিক কমান্ডারদের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র টানা ১১তম রাত ধরে দেশটির বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে আসছে, যাকে তারা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর জবাব হিসেবে পশ্চিম এশাজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে জর্ডান, বাহরাইন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি। হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে সম্পর্কেও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।