স্পোর্টস ডেস্ক। ক্রাইম ক্রনিকল
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে একের পর এক কঠিন পরীক্ষা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করার পর টানা তিন জয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।
এবার ব্রাজিলের সামনে নরওয়ের চ্যালেঞ্জ। আগামী ৫ জুলাই শেষ ষোলোর এই ম্যাচে জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা স্বাগতিক মেক্সিকো।
ইংল্যান্ডও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ হারেনি দলটি। শেষ ৩২-এর ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ ১৫ মিনিটে দুই গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় তারা। চার ম্যাচে পাঁচ গোল করে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
অন্যদিকে স্বাগতিক মেক্সিকোও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ইকুয়েডরকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ওঠা দলটি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে একটিও গোল হজম করেনি। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড বা মেক্সিকো—যেই প্রতিপক্ষ হোক, ব্রাজিলকে নিজেদের সেরাটা খেলেই এগোতে হবে।
ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালও পার করতে পারলে সেমিফাইনালে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া কিংবা সুইজারল্যান্ড।
তবে আপাতত সব মনোযোগ নরওয়ের বিপক্ষেই। কারণ ইতিহাস ব্রাজিলের পক্ষে কথা বলে না। এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হলেও একবারও নরওয়েকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল।
১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে রোনালদো, রিভালদো ও কাফুদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল নরওয়ে। এর আগে ১৯৮৮ ও ১৯৯৭ সালের প্রীতি ম্যাচে একটি জয় ও একটি ড্র করে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা। ২০০৬ সালের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচটিও শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়।
চার দেখায় নরওয়ের দুটি জয় ও দুটি ড্র। তাই ইতিহাস বদলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে চাইলে এবার সেই অধরা জয়টিই তুলে নিতে হবে ব্রাজিলকে।