আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ক্রাইম ক্রনিকল
ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না – এবং সেটি কার্যত “পরাজয় ও আত্মসমর্পণ” হিসেবে দেখছে তেহরান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী এবং আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সি শক্তিগুলো একত্রে প্রমাণ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত “পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে”।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রচারণার সুরের সঙ্গে মিল রেখে ইরান এই চুক্তিকে নিজেদের জন্য একটি কৌশলগত বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করছে। তবে দেশের ভেতরে কঠোরপন্থীদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
সমালোচকদের একাংশ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পার্লামেন্ট স্পিকারের বিরুদ্ধে “বিশ্বাসঘাতকতার” অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, এই দুই নেতা প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অবস্থানের বিরুদ্ধেই গিয়ে আলোচনায় অগ্রসর হয়েছেন।
উল্লেখ্য, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন বলে দাবি করা হয়। মৃত্যুর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা “অবিবেচনাপ্রসূত” বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং বলেছিলেন, এ ধরনের সংলাপ দেশের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।